একই রাকআতে একই ধরনের সূরা কিংবা ভিন্ন ধরনের সূরা পড়া
রসূলুল্লাহ (সঃ) একই ধরনের লম্বা সূরাগুলো এক সাথে পড়তেন।(একই ধরনের সূরা মানে, অর্থের দিক থেকে সাদৃশপূর্ণ সূরা। যেমন, উপদেশ, বিধান, কিস্সা ইত্যাদি। (সূরা থেকে শেষ পর্যন্ত সূরা গুলোকে সর্বসম্মতভাবে লম্বা সূরা বলা হয়)
তিনি একই রাকআতে সূরা আররাহমান (৫৫:৭৮) এবং সূরা আন-নাজম (৫৩:৬২) পড়তেন। অনুরূপভাবে তিনি একই রাকআতে নিম্নের সূরা একত্রে পড়তেন:
সূরা ক্বামার (৫৪:৫৫) এবং সূরা আল্ হাক্কা (৬৯:৫২)
সূরা তূর (৫২:৪৯) এবং সূরা আয-যারিয়াত (৫১:৬০)
সূরা সাআলা সায়েলুন (৭০:৪৪) এবং ওয়ান্নাযিআত (৭৯:৪৬)
সূরা ওয়াকেআহ (৫৬:৯৬) এবং সূরা কূলম (৬৮:৫২)
সূরা সাআলা সায়েলুন লিল-মোতাফফেফীন (৮৩:৩৬) এবং আবাসা (৮০:৪২)
সূরা আল-মোদ্দাসসের (৭৪:৫৬) এবং সূরা আল-মোযযাম্মেল (৭৩:২০)
সূরা দাহ্র (৭৬:৩১) এবং সূরা কেয়ামাহ (৭৫:৪০)
সূরা নাবা (৭৮: ৪০) এবং সূরা আল-মোরসালাত (৭৭:৫০)
সূরা আদ-দোখান (৪৪:৫৯) এবং সূরা তাকভীর (৮১:২৯)।(
কোন সময় তিনি ৭টি লম্বা সূরা থেকে একাধিক সূরা এক সাথে পড়তেন। যেমন সালাতুল লাইলে তিনি এক রাকআতে সূরা বাকারা, সূরা নিসা এবং সূরা আলে-ইমরান পড়তেন। তিনি বলতেন, দীর্ঘ কেয়াম বিশিষ্ট নামায উত্তম। (মুসলিম, তাহাবী)
তিনি যখন এই আয়াত পড়তেন:
أَلَيْسَ ذَلِكَ بِقَادِرٍ عَلَى أَنْ يُحْيِيَ الْمَوْتِي -তখন বলতেন سُبْحَانَكَ فَبَلَى আর তিনি যখন পড়তেন سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ عد سُبْحَانَ رَبِّي الأعلى 707000 677 الا على
প্রথমোক্ত আয়াতে আল্লাহ প্রশ্ন করেছেন, 'মহান আল্লাহ কি মৃতদেহকে জীবিত করতে সক্ষম নন? রসূলুল্লাহ (সঃ) এর জওয়াবে বলতেন: তুমি পবিত্র এবং তুমি তা করতে সক্ষম। দ্বিতীয় আয়াতে আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন, 'তোমার মহান রবের পবিত্রতা বর্ণনা কর।' এর জওয়াবে তিনি বলতেন: 'আমার মহান রবের জন্যে পবিত্রতা।'
0 comments:
Post a Comment
Thanks for your comments.