বাম হাতের উপর ডান হাত রাখা
রসূলুল্লাহ (সঃ) বাম হাতের উপর ডান হাত রাখতেন (
একবার তিনি এক নামায পড়া ব্যক্তির পাশে দিয়ে যাওয়ার সময় দেখেন যে, সে ডান হাতের উপর বাম হাত রেখেছে। তিনি তার হাত পৃথক করে দিয়ে তার ডান হাতকে বাম হাতের উপর রেখে দেন। (
বুকে হাত রাখা
তিনি বাম হাতের পিঠ ও কব্যার উপর ডান হাত রাখতেন(আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনু খোযায়মাহ বিশুদ্ধ সনদ সহকারে, ইবনু হিব্বানও একে সহীহ বলেছেন) এবং এরূপ করার জন্য সাহাবায়ে কেরামকে আদেশ দেন।(
কখনও তিনি বাম হাতকে ডান হাত দিয়ে আঁকড়ে ধরতেন। (নাসাঈ ও দার কুতনী-সনদ সহীহ) হাদীস থেকে বুঝা যায় হাতের উপর হাত রাখা কিংবা আঁকড়ে ধরা উয়ভটিই সুন্নত। তবে হানাফী মাযহাবের কিছু লোক দু'টো বিষয়কে এক সাথে করা উত্তম বলেছেন। কিন্তু এটা বেদআত। তারা বলেছেন, বাম হাতের উপর ডান হাত রেখে ডান হাতের কনিষ্ঠ ও বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে বাম হাতের কব্জি আঁকড়ে ধরতে হবে এবং অবশিষ্ট তিন আঙ্গুল বিছিয়ে দিতে হবে।(
রসূলুল্লাহ (সঃ) দু'হাত বুকের উপর রেখে নামায পড়তেন। (আবু দাউদ, ইবনু খোযায়মাহ, আহমদ। তারীখে ইসপাহান-আবুশ শেখ, পৃঃ ১২৫। তিরমিযী এর একটি সনদকে উত্তম বলেছেন। একই অর্থে মোআত্তা ও বোখারীতে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। বুকের উপর হাত রাখাই সুন্নত হিসেবে হাদীসে বর্ণিত আছে। এর বিপরীত বর্ণনা হয় দুর্বল, না হয় ভিত্তিহীন। ইমাম ইসহাক বিন রাহওয়াহ এই সুন্নতের উপর আমল করেছেন।)
তিনি কোমরের উপর হাত রেখে নামায পড়তে নিষেধ করেছেন।(বোখারী, মুসলিম) কোমর বলতে কোমরের হাড় বুঝানো হয়েছে। এর উপর হাত রাখতে রসূলুল্লাহ (সঃ) নিষেধ করেছেন। (
0 comments:
Post a Comment
Thanks for your comments.