Tuesday, July 14, 2026

নামাজে,নামাযে/সালাতে তাকবীর

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ 
পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে


তাকবীর

রসূলুল্লাহ (সঃ) আল্লাহু আকবার বলে নামায শুরু করতেন। ( মুসলিম, ইবনে মাজাহ। নিয়্যত করার জন্যে তিনি কখনও نَوَيْتُ أَنْ أَصلي .) তিনি ভুল নামায আদায়কারী ব্যক্তিকেও অনুরূপ করার আদেশ দিয়েছিলেন। তিনি তাকে ইত্যাদি বলতেন না। বরং তা সর্বসম্মতভাবে বেদআত। শুধু এতটুকু মতভেদ যে, তা বেদআতে হাসানাহ, না সাইয়্যেআহ। আমরা বলবো, ইবাদতের মধ্যে সকল বেদআত গোমরাহী। হাদীস তাই বলে।

বলেছেন, 'কোনো ব্যক্তির নামায ওযু শেষে 'আল্লাহু আকবার' বলে শুরু না করলে তা সম্পন্ন হয় না' (সহীহ সনদ সহকারে তাবারানী এ হাদীস বর্ণনা করেছেন।)

রসূলুল্লাহ (সঃ) আরো বলেছেন, নামাযের চাবি হচ্ছে পবিত্রতা অর্জন। তাকবীর দ্বারা নামাযের বাইরের বৈধ কাজগুলোকে নামাযে হারাম করা হয় এবং সালাম ফিরানোর মাধ্যমে নামাযের বাইরের বৈধ কাজগুলোকে হালাল করা হয়। (আবু দাউদ, তিরমিযী, হাকেম, আল্লামা যাহাবী এ হাদীসকে বিশুদ্ধ বলেছেন)

তিনি তাকবীর বড়ো করে উচ্চারণ করতেন, পেছনের লোকেরাও তা শুনতে পেত। (আহমদ, হাকেম এবং আল্লামা যাহাবী এ হাদীসকে সহীহ বলেছেন)

তিনি যখন অসুস্থ অবস্থায় নামায পড়ান, তখন আবু বকর (রাঃ) তাঁর তাকবীরের শব্দ বড়ো করে লোকদেরকে শুনান। (মুসলিম ও নাসাঈ)

রসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন, ইমাম যখন আল্লাহু আকবার বলেন, তখন তোমরাও আল্লাহু আকবার বল। (আহমদ। বায়হাকী সহীহ সনদ সহকারে বর্ণনা করেছেন)

0 comments:

Post a Comment

Thanks for your comments.