সাজদার ফযীলত
রসূলুল্লাহ (সঃ) বলতেন, আমার উম্মাহর মধ্যে এমন কোন ব্যক্তি নেই, যাকে আমি কেয়ামতের দিন চিনতে পারবো না। সাহাবীরা জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রসূল! এত সৃষ্টির মধ্যে আপনি কি করে তাদেরকে চিনবেন? তিনি প্রশ্ন করেন, ঐ বিষয়ে তোমার রায় কি, তুমি যদি কোনো আস্তাবলে প্রবেশ করো আর সেখানে যদি কালো ঘোড়ার মধ্যে এমন একটি ঘোড়া থাকে যার পায়ের নীচের অংশ, হাত ও মুখ সাদা, তুমি কি তাকে পৃথক করে চিনতে পারবে না? সাহাবী জওয়াবে বললেন, 'জী হাঁ।' তখন রসূলুল্লাহ (সঃ) বলেন, ঐ দিন আমার উম্মতের সাজদার কারণে সাদা ধবধবে চেহারা এবং উযুর কারণে হাত-পা উজ্জ্বল সাদা হবে।
রসূলুল্লাহ (সঃ) আরও বলেছেন, আল্লাহ যদি কোন দোযখবাসীকে দয়া করার ইচ্ছে করেন, তখন তিনি ফেরেশতাদেরকে আদেশ দেবেন এবং বলবেন, আল্লাহর ইবাদতকারীকে বের করে নিয়ে আষ। ফেরেশতারা তাকে দোযখ থেকে বের করে নিয়ে আসবে। তারা তাকে তার সাজদার চিহ্নের কারণে চিনতে পারবে। আল্লাহ দোযখের উপর সাজদার চিহ্নকে জ্বালানো হারাম করে দিয়েছেন। তাকে দোযখ থেকে বের করে নিয়ে আসা হবে। আগুন আদম সন্তানের শরীরের সকল অংশ খেলেও সাজদার অংশ খেতে পারবে না।
0 comments:
Post a Comment
Thanks for your comments.