রাসূলুল্লাহ
(সঃ)-এর উপর দুরূদ পাঠ করা ওয়াজিব
রসূলুল্লাহ
(সঃ) নামাযে এক ব্যক্তিকে আল্লাহর
প্রশংসা এবং রসূলুল্লাহ (সঃ)-এর উপর দুরূদ
না পড়ে দোআ করতে
শুনে বলেন, তাড়াতাড়ি শেষ কর। তারপর
তিনি তাকে ডাকেন এবং
তাকে ও অন্যদেরকে লক্ষ্য
করে বলেন, তোমাদের কেউ নামায পড়লে
সে যেন প্রথমে আল্লাহর
হামদ ও সানা (প্রশংসা)
আদায় করে, নবীর উপর
দুরূদ পড়ে এবং পরে
যা ইচ্ছা চেয়ে যেন দোআ
করে। (আহমদ, আবু দাউদ, ইবনু
খোযায়মাহ। হাকেম এটিকে সহীহ বলেছেন এবং
আল্লামা যাহাবী তা সমর্থন কেেছন।
এ হাদীস প্রমাণ করে, দুরূদ পড়ার
আদেশের কারণে এই তাশাহহুদে দুরূদ
পড়া ওয়াজিব। ইমাম শাফেঈ ও
আহমদের মতে দুরূদ ওয়াজিব।
একদল সাহাবায়ে কেরামের মতেও তা ওয়াজিব।
আল্লামা আজরী তাঁর শরীয়াহ
গ্রন্থে লিখেছেন, যে শেষ তাশাহহুদের
দুরূদ পড়েনি তার উপর নামায
পুনরায় আদায় করা ওয়াজিব)
তিনি
এক ব্যক্তিকে নামাযে আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব, প্রশংসা এবং নবীর উপর
দূরূদ পড়তে শুনে বলেন,
দোআ কর কবুল হবে
এবং চাও দেয়া হবে।(নাসাঈ-সনদ সহীহ)
দোআ'র আগে ৪টি বিষয় থেকে আশ্রয় চাওয়া ওয়াজিব
রসূলুল্লাহ
(সঃ) বলতেন: তোমাদের কেউ যখন শেষ
তাশাহহুদ থেকে অবসর হবে,
তখন সে যেন ৪টি
বিষয় থেকে আল্লাহর কাছে
আশ্রয় চায়:
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُبِكَ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَمِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ مَسِيحِ الدَّجَّالِ -
অর্থঃ
হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে
আশ্রয় চাই জাহান্নামের আযাব,
কবরের আযাব, জীবন ও মৃত্যুর
পরীক্ষা এবং দাজ্জালের মন্দ
ফেতনা থেকে।
তারপর
সে যেন নিজের জন্য
যা ইচ্ছা দোয়া করে। (মুসলিম,
আবু আওয়ানাহ, নাসাঈ, মোন্তাকা-ইবনে জারূদ)
রসূলুল্লাহ
(সঃ) নিজেও এ তাশাহহুদের মধ্যে
দোআ করতেন। (আবু দাউদ, আহমদ।
সনদ সহীহ)
তিনি
সাহাবায়ে কেরামকে এই দোআটি এমনভাবে
শিক্ষা দিয়েছেন যেমন করে তিনি
তাদের কোরআন শিক্ষা দিতেন। (মুসলিম, আবু আওয়ানাহ)
0 comments:
Post a Comment
Thanks for your comments.