بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
সাজদাহ থেকে উঠা
তিনি তাকবীর বলে সাজদাহ থেকে মাথা তুলতেন(বোখারী, মুসলিম) এবং এভাবে করার জন্য ভুল নামায আদায়কারীকে আদেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেনঃ কোন মানুষের নামায পরিপূর্ণ হয় না যে পর্যন্ত না সে সাজদাহ করে এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের জোড়াগুলো প্রশান্ত হয়, তারপর আল্লাহু আকবার বলে মাথা তোলে এবং সোজা হয়ে বসে। (আবু দাউদ। হাকেম এটিকে সহীহ বলেছেন এবং আল্লামা যাহাবী তা সমর্থন করেছেন) তিনি কোন কোন সময় এই তাকবীরের সাথে দু'হাত উপরে তুলতেন। (আহমদ, আবু দাউদ- সনদ সহীহ) ইমাম আহমদ এ তাকবীরসহ সকল তাকবীরে হাত তোলার পক্ষে মত প্রকাশ করেছেন। ইবনুল কাইয়েম আল বাদায়ে গ্রন্থের ৪র্থ খণ্ডের ৮৯ পৃষ্ঠায় লিখেছেন, ইবনু আসরাম বর্ণনা করেছেন, একবার তাকে দু'হাত তোলার ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয়। তিনি উত্তরে বলেন, প্রত্যেক বার উঠা-নামার সময় দু'হাত তুলতে হবে। ইবনু আসরাম বলেন, আমি নামাযে আবু আবদুল্লাহকে প্রত্যেক উঠা-নামায় দু' হাত তুলতে দেখেছি। ইবনুল মোনযের এবং শাফেঈ' মাযহাবের আবু আলীসহ ইমাম মালেক ও শাফেঈর (রঃ)-ও একই মত। (তারহুত্ তাসরীব)। আনাস, ইবনে উমার, নাফে, তাউস, হাসান বসরী, ইবনে সিরীন এবং আইউব সাখতিয়ানীও হাত তোলার পক্ষে ছিলেন। সহীহ সনদ সহকারে মোসান্নাফে ইবনে আবী শায়বায় তা বর্ণিত আছে।
তারপর তিনি বাম পা বিছিয়ে দিয়ে তার উপর প্রশান্তির সাথে বসতেন।(বোখারী, রাফউল ইয়াদাইন অধ্যায়, আবু দাউদ- সনদ সহীহ, মুসলিম, আওয়ানাহ) তিনি ভুল নামায আদায়কারীকে অনুরূপ আদেশ দিয়ে বলেছেন, তুমি যখন সাজদায় যাবে, মযবুতভাবে সাজদাহ করবে এবং যখন সাজদাহ থেকে উঠবে, তখন বাম রানের উপর বসবে। (আহমদ, আবু দাউদ- সনদ ভাল) তিনি ডান পা দাঁড় করিয়ে(বোখারী, বায়হাকী) আঙ্গুলকে কেবলামুখী রাখতেন। (নাসাঈ সনদ সহীহ)
0 comments:
Post a Comment
Thanks for your comments.