Sunday, July 19, 2026

দুই সাজদার মধ্যবর্তী বৈঠকের দোআ ও যিকর

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ 
পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

দুই সাজদার মধ্যবর্তী বৈঠকের দোআ ও যিকর

তিনি এই বৈঠকে বলতেন:

اللهُمَّ a fat رَبِّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَاجْبَرْنِي وَارْفَعْنِي وَاهْدِنِي وَعَافِنِي وَارْزُقْنِي - 2 (আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনু মাজাহ, হাকেম)

অর্থঃ হে আল্লাহ! আমাকে মাফ কর, দয়া কর, আমার অবস্থা পরিশুদ্ধ করে দাও, আমার মর্যাদা বাড়িয়ে দাও, আমাকে হেদায়াত দাও, সুস্থতা দাও, রিযক দাও।

তিনি কখনও বলতেন:

رَبِّ اغْفِرْ لِي اغْفِرْ لِي (ইবনু মাজাহ- সনদ সহীহ। ইমাম আহমদ এই দোআটি মনোনীত করেছেন) ইসহাক বিন রাহওয়ায়হ বলেছেন, এটা তিনবার বলা যায় কিংবা 'আল্লাহুম্মাগফিরলি'ও বলা যায়। রসূলুল্লাহ (সঃ) উভয়টাই দুই সাজদার মাঝে পড়েছেন।

অর্থঃ হে আল্লাহ! আমাকে মাফ কর, আমাকে মাফ কর।

তিনি রাতের নামাযেও এই দুই দোআ পড়েছেন।  (নফল নামাযের দোআ ফরয নামাযে পড়া যায়। ইমাম শাফেঈ, আহমদ ও ইসহাকের মত এটাই। তিরমিযীও তাই বর্ণনা করেছেন। ইমাম তাহাবীও তাই বলেছেন)

তারপর তিনি তাকবীর বলে দ্বিতীয় সাজদায় যেতেন।(বোখারী, মুসলিম) তিনি ভুল নামায আদায়কারীকে অনুরূপ করার আদেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তুমি আল্লাহু আকবার বলবে এবং সাজদায় যাবে যেন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের জোড়াগুলো প্রশান্ত হয়। সকল নামাযে এভাবেই করবে। (আবু দাউদ। হাকেম এটিকে সহীহ বলেছেন এবং আল্লামা যাহাবী তা সমর্থন করেছেন) তিনি কখনও কখনও তাকবীরের সাথে হাত তুলতেন। (আবু আওয়ানহ, আবু দাউদ, সনদ সহীহ। ইমাম আহমদ, মালেক এবং শাফেঈ (রঃ)-ও একই মত পোষণ করেন)

তিনি প্রথম সাজদায় যা করতেন দ্বিতীয় সাজদায়ও অনুরূপ করতেন।

তারপর তাকবীর বলে মাথা তুলতেন।(মুসলিম, বোখারী) তিনি ভুল নামায আদায়কারীকে আদেশ দিয়ে বলেছেন, তারপর মাথা তুলবে ও তাকবীর বলবে (আবু দাউদ, হাকেম) এবং প্রত্যেক রাকআত ও সাজদায় এরূপ করবে। এভাবে করলে তোমার নামায পরিপূর্ণ হবে। যদি তা থেকে কিছু কম হয়, তাহলে তোমার নামায অপূর্ণ হবে। (আহমদ, তিরমিযী- সনদ সহীহ)

তিনি কখনও সাজদাহ থেকে উঠার সময় দু'হাত তুলতেন। (আবু আওয়ানা, আবু দাউদ, সনদ সহীহ। ইমাম আহমদ, শাফেঈ ও মালেক এই মতের সমর্থক)

0 comments:

Post a Comment

Thanks for your comments.