Monday, August 10, 2026

কুকুরের মত দুই উরু দাঁড় করে নিতম্বের উপর বসা

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ 
পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

(১০) কুকুরের মত দুই উরু দাঁড় করে নিতম্বের উপর বসা: 

এভাবে বসা নিষেধ। কিন্তু দুই সাজদার মাঝে বসার ব্যাপারে মতভেদ আছে। মুসলিম শরীফে তাউস থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমরা আবদুল্লাহ বিন আব্বাসকে দুই পায়ের পাতা দাঁড় করে বসার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করায় তিনি উত্তর দেন, এটা মহানবী (সঃ)-এর সুন্নত। শুধু দুই সাজদার মাঝে সংক্ষিপ্ত বৈঠকে তা বৈধ। ইবনে আব্বাসের ব্যাখ্যা হল, নিতম্বের সাথে পায়ের গোড়ালী মিলবে। অপরদিকে, নিতম্ব মাটিতে বিছিয়ে দুই পা দাঁড় করানো এবং দুই হাত মাটিতে রাখা, এটাই কুকুরের মত বসা। আর হাদীসে এটাকেই নিষেধ করা হয়েছে।

আবু হোরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমার বন্ধু নবী করীম (সঃ) আমাকে তিনটি কাজ করতে নিষেধ করেছেন। . মোরগের মত সাজদায় ঠোঁকর মারা অর্থাৎ তাড়াহুড়া করে সাজদা করা। . কুকুরের মত বসা এবং . শিয়ালের মত এদিক-ওদিক উঁকি-ঝুঁকি মারা। (আহমদ, আবু ইয়ালী)

বর্ণনা দ্বারা বুঝা গেল, দুই সাজদার মাঝে বসার পদ্ধতি দুই রকম। . বাম পা বিছিয়ে দিয়ে ডান পা দাঁড় করানো। এটাই নবী করীম (সঃ)-এর প্রসিদ্ধ সুন্নত। অন্যান্য সকল বৈঠকে এভাবেই বসার নিয়ম। . দুই পায়ের গোড়ালীর উপর দুই নিতম্ব রেখে বসা।

নামাযে এদিক-ওদিক ঝুঁকে যাওয়া কিংবা বিনা প্রয়োজনে আগে-পিছে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত কাজ, এটা নামাযের বিনয় বা খুশুর খেলাপ। ইবনে আওন বলেছেন, মুসলিম বিন ইয়াসার নামক প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন ইমাম নামাযে এমনভাবে দাঁড়াতেন যেন তাকে কোন কিছুর সাথে পেরেক মেরে সোজা করে রাখা হয়েছে। তিনি মোটেও নড়াচড়া করতেন না।(তাহজীব আত-তাহজীব)

0 comments:

Post a Comment

Thanks for your comments.