(৭) দুই সাজদার মাঝখানে আঙ্গুল না নাড়ানো: এটা ঠিক নয়। 'নবী করীম (সঃ) দুই সাজদার মাঝে শাহাদত আঙ্গুলী দিয়ে ইশারা করতেন বলে মোসনাদে আহমদের ৪র্থ খণ্ডের ২১০ পৃষ্ঠায় একটি হাদীস বর্ণিত আছে।' এটা হল দু' সাজদার মাঝের জলসা। (হেদায়াতুন নাবী, ৭৫ পৃঃ)
(৮) ইমাম সাজদায় থাকলে মাথা তোলা পর্যন্ত এবং বসা থাকলে দাঁড়ানো পর্যন্ত অপেক্ষা করা ভুল: বিশুদ্ধ পদ্ধতি হল, ইমাম রুকু, সাজদা, দাঁড়ান কিংবা বসা যে অবস্থায়ই থাক না কেন সর্বাবস্থায় অনতিবিলম্বে নামাযে শামিল হওয়া এবং দেরী না করা। কাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন: 'তোমরা নামাযের জন্য আসলে প্রশান্তিসহকারে আসবে, রাসুল (সঃ) বলেছেন: 'তোমরা নামাযের জন্য আসলে প্রশান্তিসহকারে আসবে, যতটুকু নামায পাবে ততটুকু পড়বে এবং যতটুকু পাওয়া যায়নি ততটুকু পরিপূর্ণ করবে।' (বোখারী)
ইবনে হাজার আসকালানী (রঃ) ফতহুল বারী গ্রন্থে লিখেছেন, উপরোক্ত
হাদীসের মাধ্যমে যা বুঝা যায়, তাহলো ইমামকে যে অবস্থাতেই পাওয়া যায় দেরী না করে সাথে সাথে সে অবস্থায় নামাযে শরীক হওয়া দরকার। আবদুল আযীয বিন রাফী এক আনসারী সাহাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। নবী করীম (সঃ) বলেছেন: 'যে ব্যক্তি আমাকে রুকু, সাজদা বা দাঁড়ানো অবস্থায় পাবে সে যেন সে অবস্থায়ই আমার সাথে নামাযে শরীক হয়।' (ইবনু আবি শায়বা)
0 comments:
Post a Comment
Thanks for your comments.