Friday, July 17, 2026

নামাযে/নামাজে/সালাতে সূরা-কেরাআত পাঠ

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ 
পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

সূরা-কেরাআত পাঠ

দোয়া পাঠের পর রসূলুল্লাহ (সঃ) প্রথমে আল্লাহর কাছে নিম্নরূপ বাক্যে আশ্রয় চাইতেন:

أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَقَتِهِ

অর্থঃ "আমি আল্লাহর কাছে অভিশপ্ত শয়তানের মাতলামি, গর্ব-অহংকার ও মন্দ কবিতা (হাম্য, নাফাখ ও নাফাছ শব্দ তিনটির উপরোক্ত অর্থ বিশুদ্ধ মোরসাল সনদ সহকারে রসূলুল্লাহ (সঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে। কবিতা বলতে মন্দ কবিতা বুঝাবে। কেননা, ভাল কবিতার ব্যাপারে রসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন: إِنَّ مِنَ الشَّعْرِ حِكْ) থেকে আশ্রয় চাই।"(আবু দাউদ, ইবনু মাজাহ, দারু কুতনী। হাকেম, ইবনু হিব্বান ও আল্লামা যাহাবী একে সহীহ বলেছেন)

ভাল কবিতায় জ্ঞান ও কৌশলের কথা আছে।' (বোখারী)

তিনি কখনও আরো একটু বাড়িয়ে দোআটি এরূপ পড়তেন: (আবু দাউদ, তিরমিযী, আহমদ-সনদ বিশুদ্ধ)

اعوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ

তারপর তিনি 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম' পাঠ করতেন এবং এগুলো তিনি নিঃশব্দে পড়তেন।(বোখারী, মুসলিম, আবু আওয়ানা তাহাবী, আহমদ)

অতপর তিনি সূরা ফাতেহা পাঠ করতেন এবং এক আয়াত এক আয়াত করে থেমে থেমে পড়তেন। তিনি الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ বলে থামতেন। الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ পড়ে থামতেন। مَالِكِ يَوْمِ الدِّيْنِ বলে থামতেন।

এইভাবে সূরা শেষ করার আগ পর্যন্ত প্রতিটি আয়াত শেষে থামতেন।

এক আয়াতের সাথে আরেক আয়াতকে বিরতিহীনভাবে পড়তেন না। (আবু দাউদ, আস্সাহমী, হাকেম ও আল্লামা যাহাবী একে বিশুদ্ধ বলেছেন)

তিনি কখনও এ না পড়ে বিনা মদে مُلِكِ يَوْمِ الدِّيْنِ পড়তেন।(তাম্মাম আর রাযী, ইবনু আবু দাউদ, আবু নাঈম। হাকেম ও যাহাবী একে সহীহ বলেছেন)

0 comments:

Post a Comment

Thanks for your comments.