৭. বিতরের নামায
রসূলুল্লাহ (সঃ) বিতরের নামাযে প্রথম রাকআতে সূরা আল-আ'লা (নং ৮৭, আয়াত ১৯), দ্বিতীয় রাকআতে সূরা কাফেরূন এবং তৃতীয় রাকআতে সূরা ইখলাস পড়তেন। (
তিনি কখনও তৃতীয় রাকআতে সূরা ফালাক ও সূরা নাসসহ যোগ করে পড়তেন। (
একবার তিনি তৃতীয় রাকআতে সূরা নিসার একশত আয়াত পড়েছেন। (নাসাঈ, আহমদ-সনদ সহীহ)
তিনি বিতরের পরের দুই রাকআত নামাযে সূরা যিলযাল এবং সূরা কাফেরূন পড়েছেন।
আহমদ, ইবনু নসর-সনদ সহীহ। বিতরের পরে দুই রাকআত নামাযের কথা মুসলিম শরীফে বর্ণিত আছে, যা বোখারী ও মুসলিম শরীফে বর্ণিত অপর একটি হাদীসের বিপরীত। তাতে রসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন, إِجْعَلُوا أَخِرَصَلَاتِكُمْ بِاللَّيْلِ وَتْرا
অর্থ: তোমরা রাত্রে বিতরকে সর্বশেষ নামায বানাও।' ওলামায়ে কেরাম হাদীস দু'টির বৈপরীত্য দূর করার উদ্দেশ্যে কিছু জওয়াব দিয়েছেন। কিন্তু কোনটাই প্রাধান্য পাওয়ার যোগ্য নয়। তাই আমার মতে, বিতরকে সর্বশেষ নামায বানানোর আদেশের প্রেক্ষিতে উক্ত দুই রাকআত নামায ত্যাগ করা উত্তম। বিতরের পর দুই রাকআত নামায পড়ার বিষয়েও আরেকটি আদেশসূচক হাদীস আছে। তাই প্রথম হাদীসের উপর আমল করা মোস্তাহাব হলে দ্বিতীয় হাদীসের সাথে কোন বিরোধ থাকে না।
৮. জুমআ'র নামায
তিনি কখনও জুমআ'র নামাযের প্রথম রাকআতে সূরা জুমআ' এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরা মুনাফেকুন পড়েছেন।(মুসলিম, আবু দাউদ) কখনও সূরা মুনাফেকুন-এর পরিবর্তে সূরা গাশিয়াহ পড়েছেন। (মুসলিম, আবু দাউদ)
কখনও প্রথম রাকআতে সূরা আল আ'লা (নং ৮৭, আয়াত ১৯) পড়েছেন এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরা গাশিয়া (নং ৮৮, আয়াত ২৬) পড়েছেন।
৯. দুই ঈদের নামায
তিনি ঈদের নামাযের প্রথম রাকআতে কখনও সূরা আল-আ'লা এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরা আল-গাশিয়া পড়তেন।
কখনও সূরা কাফ (নং ৫০, আয়াত ৪৫) এবং সূরা কামার (নং ৫৪, আয়াত ৫৫) পড়েছেন।
১০. জানাযার নামায
জানাযার নামাযে সূরা ফাতেহা (এটা শাফেঈ, আহমদ এবং ইসহাকের মত। পরবর্তী যুগের কিছু হানাফী বিশেষজ্ঞের মতও তাই। তবে সূরা ফাতেহার পর অন্য সূরা পড়ার বিষয়টি শুধু শাফেঈ মাযহাবের মত এবং এটি হক) এবং অন্য একটি সূরা পড়া সুন্নত।(বোখারী আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনুল যাযুদ। তোয়াইজিরী বলেছেন, একটি সূরা যোগ করা দুর্লভ মত নয়। (মোকালামা-৬৮ পৃঃ)) প্রথম তাকবীরের পর তিনি সূরা গোপনে পড়তেন।(
0 comments:
Post a Comment
Thanks for your comments.