৪. মাগরিবের নামায
রসূলুল্লাহ (সঃ) মাগরিবের নামাযে ছোট সূরা (কেসারে মোফাস্সাল) পড়তেন। লোকেরা তাঁর সাথে নামায পড়ে ঘরে গিয়ে ধনুকে তীরের স্থান নির্ধারণ করতে পারত।(আহমদ, তায়ালিসী-সনদ সহীহ) অর্থাৎ অন্ধকার নেমে আসার আগেই নামায শেষ হয়ে যেত।
তিনি সফরে দ্বিতীয় রাকআতে সূরা তীন পড়েছেন।
তিনি কখনও লম্বা এবং কখনও মাঝারি সূরা পড়তেন। তাই তিনি কোনো সময় সূরা মোহাম্মদ (সূরা নং ৪৭, আয়াত সংখ্যা ৩৮) পড়েছেন।(ইবনু খোযায়মাহ, তাবারানী, আল-মাকদেসী-সনদ সহীহ) কখনও তিনি সূরা তৃর পড়েছেন।(বোখারী, মুসলিম) কখনও আবার সূরা আল মোরসালাত (সূরা নং ৭৭, আয়াত সংখ্যা ৫০) পড়েছেন। এটা তাঁর জীবনের সর্বশেষ মাগরিব পড়ার ঘটনা।(বোখারী, মুসলিম)
কখনও তিনি মাগরিবের দুই রাকআতে বড়ো দুই সূরার (সূরা আরাফ অপেক্ষাকৃত বড়ো এবং সূরা আনআম অপেক্ষাকৃত ছোট) মধ্যে অপেক্ষাকৃত বড়ো সূরা আল-আরাফ (সূরা নং ৭, আয়াত সংখ্যা ২০৬) পড়েছেন।(বোখারী, আবু দাউদ, ইবনু খোযায়মাহ, আহমদ, আস-সেরাজ, আল-মোখলেস)
কখনও তিনি দুই রাকআতে সূরা আনফাল পড়েছেন। (সূরা নং ৮, আয়াত সংখ্যা ৭৫)(
রসূলুল্লাহ (সঃ) মাগরিবের ফরয নামাযের পর সুন্নতে সূরা কাফেরূন এবং সূরা ইখলাস পড়েছেন।(
0 comments:
Post a Comment
Thanks for your comments.