Saturday, July 18, 2026

এশার নামাযে/সালাতে রাসুলুল্লাহ (সা:) যা পড়তেন

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ 
পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

৫. এশার নামায

রসূলুল্লাহ (সঃ) এশার ফরয নামাযের প্রথম দুই রাকআতে মাঝারি ধরনের (ওয়াসাত মোফাস্সাল) সূরা পড়তেন।(নাসাঈ, আহমদ-সনদ সহীহ) তিনি কখনও সূরা আশ-শামস (সূরা নং ৯১, আয়াত সংখ্যা ১৫) কিংবা এই জাতীয় অন্য সূরা পড়েছেন।(আহমদ, তিরমিযী একে উত্তম হাদীস বলেছেন)

তিনি কখনো সূরা ইনশিক্বাক পড়েছেন এবং ঐ সূরায় যে সাজদা আছে, তা আদায় করেছেন।(বোখারী, মুসলিম, নাসাঈ)

একবার তিনি সফরে প্রথম রাকআতে সূরা তীন পড়েছেন। (সূরা নং-৯৫, আয়াত সংখ্যা ৮) (আহমদ, তিরমিযী একে উত্তম হাদীস বলেছেন)

তিনি এশার ফরয নামাযে লম্বা কেরআত পড়তে নিষেধ করেছেন। কেননা, একবার সাহাবী মোআয বিন জাবাল নিজ লোকদেরকে নিয়ে এশার নামায পড়েন এবং তাতে লম্বা কেরাআত পড়েন। সেই জামাতে শরীক একজন আনসার সাহাবী নামায শেষে পুনরায় এশার ফরয নামায আদায় করেন। মোআয (রাঃ)-কে বিষয়টি জানানোর পর তিনি মন্তব্য করেন যে, ঐ আনসার সাহাবী মুনাফিক। আনসার সাহাবী ঐ মন্তব্য শুনার পর রসূলুল্লাহ (সঃ)-এর কাছে যান এবং মোআযের মন্তব্য সম্পর্কে তাঁকে জানান। তখন রসূলুল্লাহ (সঃ) বলেন, হে মোআয! তুমি কি ফেতনা ও বিপর্যয় সৃষ্টিকারী হতে চাও? হে মোআয! তুমি লোকদেরকে নিয়ে নামাযের ইমামতি করলে সূরা আশ-শামস, (নং ৯১, আয়াত ১৫) সূরা আ'লা (নং ৭৭ আয়াত ১৯) সূরা আলাক (নং ৯৬, আয়াত ১৯) এবং সূরা আল-লাইল (নং ৯২, আয়াত ২১) পড়তে পার। কেননা, তোমার পেছনে বুড়ো, দুর্বল ও এমন লোক আছে, যাদের দ্রুত যাওয়া দরকার।(বোখারী, মুসলিম, নাসাঈ)

0 comments:

Post a Comment

Thanks for your comments.